১৩+ কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা (সুন্দর নাম) | কৃষকদের পছন্দ বাংলাদেশের সেরা কীটনাশক কোম্পানির তালিকা

 কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা: আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি "১৩+ কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা"। আপনি যদি কীটনাশক কোম্পানি খোঁজেন, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য খুবই সহায়ক হতে পারে।

এখানে আমরা সুন্দর ও জনপ্রিয় কোম্পানির নাম সংগ্রহ করেছি, যা আপনাকে সাহায্য করবে সঠিক কোম্পানি বাছাই করতে। আশা করি, এই নামগুলো আপনাদের প্রয়োজন পূরণ করবে।

 কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা

কীটনাশক কোম্পানি আমাদের কৃষির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই কোম্পানিগুলো বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক তৈরি করে, যা ফসলের ক্ষতি করা পোকামাকড় ও পests দূর করতে সাহায্য করে। আপনি যদি একটি ভালো কীটনাশক কোম্পানি খুঁজছেন, তবে এই তালিকা আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

এখানে আপনি পাবেন বিভিন্ন কোম্পানির নাম, যা উচ্চ মানের পণ্য তৈরি করে। আশা করি, এই তালিকা আপনাকে সঠিক কোম্পানি খুঁজতে সাহায্য করবে।
  • সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড
  • স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  • মিমপেক্স এগ্রোকেমিক্যালস লিমিটেড
  • এমিন্যান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
  • ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিমিটেড
  • এসিআই ক্রপ কেয়ার
  • ইনতেফা
  • বায়ার
  • অটো ক্রপ কেয়ার
  • করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
  • সেমকো কর্পোরেশন লিমিটেড
  • হেকেম বাংলাদেশ লিমিটেড
  • ন্যাশনাল এগ্রি কেয়ার

১। সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অংশীদারিত্ব ও অধিগ্রহণের মধ্যে দিয়ে সিনজেনটা তার ৫০ বছরেরও বেশি সমৃদ্ধ ইতিহাস নিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুইজারল্যান্ডের বাসেল ভিত্তিক এই কৃষি রসায়ন সংস্থা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কৃষি প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে নোভার্টিস এগ্রো বিজনেস এবং অ্যাস্ট্রা জেনেকা এগ্রোকেমিক্যালস একত্রিত হয়ে সিনজেনটার যাত্রা শুরু হয়।

সিনজেনটা বাংলাদেশ-এর ইতিহাস

বাংলাদেশের কৃষি খাতে সিনজেনটার অবদান ১৯৭৩ সালে সিবা-গেইগি নামে কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে শুরু হয়, যা সিবা এবং গেইগির একীভূতকরণের ফল। পরবর্তীতে, সিবা-গেইগি সানডোজের সাথে একীভূত হয়ে ১৯৯৬ সালে নোভার্টিস রূপ নেয়। ২০০০ সালে নোভার্টিস এগ্রো বিজনেস এবং অ্যাস্ট্রা জেনেকা এগ্রোকেমিক্যালস একত্রিত হয়ে সিনজেনটা প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

সিনজেনটা বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম ও অবকাঠামো

সিনজেনটা বাংলাদেশের কৃষিপণ্য এবং সমস্যা সমাধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি একটি যৌথ উদ্যোগের পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, যার ৬০% শেয়ার সুইজারল্যান্ডের সিনজেনটা এজি এবং ৪০% শেয়ার বিসিআইসির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে রয়েছে।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সিনজেনটার প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি, তিনটি বিভাগীয় অফিস, এগারোটি আঞ্চলিক অফিস এবং চট্টগ্রামে একটি ফসল সুরক্ষা ফর্মুলেশন প্লান্ট অবস্থিত। এছাড়া, বগুড়ায় একটি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট এবং যশোর, গাজীপুর, বগুড়া ও চট্টগ্রামে চারটি সাইট অফিস রয়েছে।

সিনজেনটার বিশেষত্ব হলো বগুড়ায় প্রতিষ্ঠিত একটি আধুনিক লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। এখানে কর্মচারী, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী, কৃষক এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং সেমিনার আয়োজন করা হয়।

টেকসই কৃষি উন্নয়নে সিনজেনটা

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণে সিনজেনটা টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে। কৃষকদের ফসল উৎপাদনে সহায়তা করতে উচ্চমানের বীজ, রোপণ প্রযুক্তি এবং ফসল সুরক্ষা বিষয়ক সমাধান সরবরাহ করে আসছে।

কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে এবং কৃষি উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করে সিনজেনটা। ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য ফসলের ফলন এবং মান উন্নয়নে বিশেষ উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

যোগাযোগ

সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড
৫ম তলা, গ্রীন রওশন আরা টাওয়ার
৭৫৫ সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫
ফোন: +৮৮ ০২ ৪৮১১৯৯১১-৩
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯১৩৪২৬৩

২। অটো ক্রপ কেয়ার

অটো ক্রপ কেয়ার লিমিটেড (ACC) ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ কৃষি কেমিক্যাল কোম্পানিগুলির মধ্যে একটি। প্রতিষ্ঠানটি দেশের কৃষির উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করে এবং কৃষকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ খামার সমাধান প্রদান করতে মনোযোগী।

কোম্পানিটি ধীরে ধীরে কৃষি পণ্যের বিস্তৃত পরিসরে কাজ করে আসছে, যার মধ্যে বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি অন্তর্ভুক্ত। এটি আমেরিকা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ফসল সুরক্ষা কেমিক্যাল আমদানি করে, যা তারা নিজস্ব ফর্মুলেশন ও রিপ্যাকিং প্ল্যান্টে প্যাকেজ করে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়।

অটো ক্রপ কেয়ারের পণ্যসমূহের মধ্যে হার্বিসাইড, ছত্রাকনাশক, কীটনাশক, পিজিএর, মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও, কোম্পানির বীজ বিভাগ উচ্চ ফলনশীল ধান, ভুট্টা ও সবজির বীজ উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের কাজ করছে।

অটো ক্রপ কেয়ার ৫৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে কৃষকদের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এটি বর্তমানে ১২টি শাখা নিয়ে বাংলাদেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দেশের সর্বত্র একটি দেশব্যাপী কৃষি সমস্যা সমাধানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

অটো ক্রপ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনাব কাজী এএফএম জয়নুল আবেদিন ১৯৬৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে একটি বহুমুখী ব্যবসায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। বর্তমানে, গ্রুপ QA নামে একক ছাতার অধীনে প্রায় ৮০০০ কর্মী নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

যোগাযোগ:

৩। এসিআই ক্রপ কেয়ার

এসিআই বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর একটি, যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালে, তখন এটি পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল। এই বিশাল প্রতিষ্ঠানের মালিক মিঃ এম আনিস উদ দৌলা। এসিআই বর্তমানে তিনটি প্রধান বিভাগে কাজ করে: ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্রাহক ব্র্যান্ড, এবং কৃষি শিল্প। প্রতিষ্ঠানটি দেশের কৃষি খাতে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

এসিআই ক্রপ কেয়ার

এসিআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে প্রায় ২৫টি কোম্পানি রয়েছে। এদের ব্যবসা বিস্তৃত মানুষের ওষুধ, পশুর ওষুধ, সার, কীটনাশক, কৃষি পণ্য, ভোগ্যপণ্য, খাদ্যপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কৃষি ও বাণিজ্যিক যানবাহন, এবং মোটরসাইকেল খাতে।

আপনার ফসলের সমস্যা সমাধানে এসিআই ক্রপ কেয়ারের কীটনাশক একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান। যেকোনো পণ্য বাজারে আনার আগে এটি কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবে কঠোর পরীক্ষা এবং মাঠপর্যায়ে সফল ট্রায়ালের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। এর বড় সুবিধা হলো, প্রতিযোগিতামূলক দামে উন্নতমানের কীটনাশক সরবরাহ করা।

এসিআই-এর আর্থিক অবদান

এ সি আই গ্রুপের বার্ষিক পণ্য বিক্রির পরিমাণ প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। ২০১৭–১৮ অর্থবছরে পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত এসিআই-এর দুই প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ছিল ৬,২৬৬ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১০,০০০ কর্মীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করছে।

যোগাযোগ

ঠিকানা:
এ সি আই সেন্টার, ২৪৫ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ।

হেল্পলাইন:
০৯৬০-৬৬৬-৬৬৬৯

ইমেইল:
info@acicropcare.com
ccph@aci-bd.com

ওয়েবসাইট:
acicropcare.com

৪। ইনতেফা

ইনতেফা: বাংলাদেশের কৃষি বাণিজ্যের একটি গর্বিত নাম

ইনতেফা, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কৃষি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি অনন্য নাম। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে, এই প্রতিষ্ঠান কৃষকদের সেবা ও কৃষির উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে তারা কৃষকদের বিশ্বাস অর্জন করেছে।

ইনতেফার মূলমন্ত্র

"কল্যাণে অঙ্গীকারাবদ্ধ" এই আদর্শকে ধারণ করে ইনতেফা দেশের কৃষক ভাইদের উন্নতিতে অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও উচ্চমানের পণ্য সরবরাহ করে কৃষকদের আশাতীত ফলন নিশ্চিত করা।

একটি বৃহৎ পরিবার

গুটিকয়েক মানুষের প্রচেষ্টায় শুরু হওয়া ইনতেফা আজ একটি ছয়শ’র বেশি সদস্যের বড় পরিবারে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৪৫০ জন বিক্রয় প্রতিনিধি মাঠে স্টকিস্ট, রিটেইলার ও চাষীদের সেবা প্রদান করছেন। তাঁদের সহায়তায় প্যাকিং প্ল্যান্ট ও সেলস সেন্টারের প্রায় ৮০ জন কর্মী এবং হেড অফিসের কর্মকর্তারা অদম্যভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্যাকিং প্লান্ট: সাভারের গর্ব

ইনতেফার প্যাকিং প্লান্টটি সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত। এখানে প্রায় ২০০ কর্মী অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ও আধা-স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিরলসভাবে কাজ করছেন, যাতে কৃষকদের কাছে পণ্য সরবরাহ সচল থাকে।

পণ্যের মান নিশ্চিতকরণ

পণ্যের মান নিয়ে ইনতেফা কখনও আপস করে না। প্রতিষ্ঠানটির অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পণ্য নিয়মিতভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়। তাই, যেকোনো কৃষি সমস্যার সমাধানে আপনি নিশ্চিন্তে ইনতেফার পণ্য ব্যবহার করতে পারেন।

যোগাযোগের ঠিকানা

কর্পোরেট অফিস:
গ্রীণ সাতমহল, ২০৬-২০৮, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ
ইমেইল: info@intefa.com.bd
ফোন: +880-2-222222518
ফ্যাক্স: +880-2-8319469
ওয়েবসাইট: www.intefa.com.bd

রেজিস্টার্ড অফিস:
৪৯১, ওয়্যারলেস রেলগেট, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

হটলাইন নম্বর:

  • +880-1308-979881 (কৃষি বিষয়ক সমস্যায়)
  • +880-1308-979882 (মৎস্য চাষের সমস্যায়)
  • +880-1308-979883 (ডিস্ট্রিবিউটরদের সহায়তায়)

যোগাযোগের সময়:
সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)।

আরও জানুন:

ইনতেফার পণ্য তালিকা এবং কৃষি বিষয়ক আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.intefa.com.bd

৫। বায়ার

বায়ার বাংলাদেশ: কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবার অগ্রদূত

বায়ার বাংলাদেশ (Bayer Bangladesh) একটি বিশ্বখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠান, যা কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, এবং ভোগ্যপণ্য খাতে সেবার মান নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বায়ার এজি (Bayer AG)-এর অংশ হিসেবে, এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের কৃষি খাতে উদ্ভাবনী সেবা এবং প্রযুক্তি সরবরাহ করে।

বায়ার কোম্পানির পরিচিতি

বায়ার হলো একটি লাইফ সায়েন্স কোম্পানি যার ১৫০ বছরের বেশি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষিক্ষেত্রে দক্ষতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আমাদের সময়ের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানে কাজ করছে।

Bayer CropScience Limited Bangladesh বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) এবং Bayer AG-এর যৌথ উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠানটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ঢাকায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত। বায়ার বাংলাদেশ দেশের ধান, ভুট্টা, এবং সবজির জন্য উচ্চমানের ফসল সুরক্ষা পণ্য এবং হাইব্রিড বীজ সরবরাহ করে।

কৃষি খাতে ভূমিকা

গত দুই দশক ধরে, বায়ার বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জীবিকা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ অঞ্চলের কৃষকদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি তাদের উন্নত প্রযুক্তি এবং সেবা সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে।

দক্ষ কর্মী বাহিনী

বায়ার বাংলাদেশে প্রায় ১১০ জন কর্মী কাজ করছেন, যার মধ্যে ৭০ জন নিবেদিতপ্রাণ কৃষিবিদ। তারা কৃষকদের সাথে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া এবং গ্রাহক সেবা বৃদ্ধিতে অবদান রাখছেন।

যোগাযোগের ঠিকানা

বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিমিটেড
ঠিকানা:
Masum Plaza (5th to 7th Floor), Plot # 13, Road # 15, Rabindra Sarani, Sector #3, Uttara, Dhaka-1230

ইমেইল:

ওয়েবসাইট:
bayer.com

ফোন:
+8802-48954020, +880-2-48955403, +880 1841444135
ফ্যাক্স:
+8802-48955403, 48955418

বায়ার বাংলাদেশ কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের উন্নতিতে তাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং দেশের কৃষকদের জীবিকা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

৬। করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতি, যেখানে সাধারণ জনগণের প্রায় ৫০% কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং দেশের জিডিপির ১৫% আসে কৃষি খাত থেকে। ১৯৯৫ সালে, কৃষি খাতের পরিস্থিতি ছিল অনেক ভিন্ন। সেসময় কৃষি পণ্যগুলোর গুণগত মান কম ছিল, যেমন কীটনাশক, বীজ ও সারের, এবং সেগুলো টেকসই উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়নি। এসব পণ্য কৃষকদের জন্য সহজলভ্য ছিল না এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল ছিল। তাছাড়া, কৃষকদের কৃষি পণ্য, প্রযুক্তি এবং সুবিধাগুলি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছিল না।

এই সমস্যা সম্পর্কে জানার পর, করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড প্রতিষ্ঠার সুযোগ পায়। ১৯৯৫ সাল থেকে, করবেল এর লক্ষ্য হল কৃষকদের জন্য উচ্চমানের, সাশ্রয়ী এবং টেকসই কৃষি পণ্য সরবরাহ করা, যাতে তারা সহজেই ক্রয় ও ব্যবহার করতে পারে। করবেল এর দর্শন হল কৃষকদের ক্ষমতায়ন করা, যাতে তারা সফলভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারে এবং একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করতে পারে।

করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড বিশেষজ্ঞ কীটনাশক, সার, বীজ এবং জলজজাত কৃষি পণ্যের আমদানি ও বিক্রয় করে। আপনার ফসলের যে কোনো সমস্যা সমাধানে আপনি নিশ্চিন্তে করবেল এর কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন।

করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড তার উচ্চমানের সেবা প্রদান করে এবং বিশ্বব্যাপী একটি বিশাল গ্রাহক বেস গড়ে তুলেছে। প্রতিষ্ঠানটি ISO সার্টিফিকেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের সনদ অর্জন করেছে।

করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি প্রদান করে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

যোগাযোগ:

  • সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • ঠিকানা: 49, Old Airport Road, Tejgaon, S.R Tower (5th floor), Dhaka, Bangladesh
  • মেইল: info@corbelbd.com
  • ওয়েবসাইট: www.corbelbd.com
  • ফোন: +88 02 2222 46998, 02-9114613

৭। নাফকো গ্রুপ (সেমকো কর্পোরেশন লিমিটেড)

NAAFCO গ্রুপটি ১৯৮৪ সালে তার যাত্রা শুরু করে, যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দূরদর্শী উদ্যোক্তা এবং প্রয়াত চেয়ারম্যান জনাব এম শামসুল হুদা। কৃষি ব্যবসায় তিন দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতার সাথে NAAFCO গ্রুপ ফসলের পুষ্টি, উদ্ভিদ সুরক্ষা, বীজ, মানব স্বাস্থ্য, পশু পুষ্টি ও স্বাস্থ্য, ভোক্তা পণ্য এবং পরিবেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি ব্যবসায়িক ইউনিটের নিজস্ব প্রণয়ন এবং উৎপাদন সুবিধা রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিতরণ, বিপণন এবং রসদ ব্যবস্থাপনা দ্বারা সমর্থিত। সেমকো কর্পোরেশন লিমিটেড নাফকো গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

৮। হেকেম (বাংলাদেশ) লিমিটেড

হেইকেম (বাংলাদেশ) লিমিটেড (HBL) হল হেইলিস অ্যাগ্রিকালচার হোল্ডিংস লিমিটেডের একটি শতভাগ সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে একটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয় এবং ১ এপ্রিল ১৯৯৮ থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৮ সাল থেকে হেইকেম বাংলাদেশ লিমিটেড কৃষি কেমিক্যালের নিজস্ব বিতরণ ব্যবসা শুরু করেছে।

সংক্ষেপে, হেইকেম বাংলাদেশে কৃষকদের মধ্যে একটি সম্মানজনক এবং মানসম্পন্ন কৃষি পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে এর মার্কেট শেয়ার ৫% এর উপরে এবং দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। HBL এর দেশে ৭০% এর বেশি উপস্থিতি রয়েছে এবং প্রায় ৬০০ ডিস্ট্রিবিউটর বজায় রেখেছে।

২০ বছর আগে, যখন বাংলাদেশ কৃষি খাতের উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছিল, একজন তরুণ কৃষিবিদ এসআইএইচএম মুসফিকুর রহমান কৃষি বিপ্লবে অংশগ্রহণের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে এমবিএ শেষ করার পর তিনি তার দেশকে সাহায্য করার উপায় খুঁজছিলেন। অপরদিকে, শ্রীলঙ্কার বিশ্বখ্যাত হেইলিস পিএলসি বাংলাদেশে কৃষি খাতে টেকসই উন্নতির জন্য বিনিয়োগ করতে আগ্রহী ছিল, যা উভয় দেশকেই উপকারে আসবে।

যেহেতু তাদের লক্ষ্য ছিল এক, হেইলিস মিঃ মুসফিককে তাদের বাংলাদেশী উদ্যোগের প্রথম কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়। মিঃ মুসফিক হেইলিসের সাথে কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন, তার স্বপ্ন পূরণের জন্য; আজ, ২০ বছর পর, তা বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে — হেইকেম (বাংলাদেশ) লিমিটেড এখন বাংলাদেশের কৃষি খাতে একটি প্রধান নাম এবং এটি তার শীর্ষ মানের পণ্যের জন্য পরিচিত।

কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল, তবে বিদেশী ও স্থানীয় সহকর্মীদের সহায়তায় মিঃ মুসফিক হেইকেমকে বাংলাদেশের কৃষি খাতে একটি বিশিষ্ট ব্র্যান্ড ও নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। হেইকেম পরিবারের প্রতিটি সদস্য একত্রে এক অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন, যা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাকে প্রেরণা দিয়েছে, এবং একই উদ্দেশ্যে হেইকেম শুধু কৃষি খাতে নয়, বরং বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যান্য ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ও এগিয়ে যাচ্ছে।

কীটনাশক কোম্পানি তালিকা

ক্রমিক নং কোম্পানির নাম
১.সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড
২.এসিআই ক্রপ কেয়ার
৩.অটো ক্রপ কেয়ার
৪.ইনতেফা
৫.বায়ার
৬.করবেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
৭.হেকেম বাংলাদেশ লিমিটেড
৮.মিমপেক্স এগ্রোকেমিক্যালস লিমিটেড
৯.এমিন্যান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
১০.ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিমিটেড
১১.ন্যাশনাল এগ্রি কেয়ার
১২.সেমকো কর্পোরেশন লিমিটেড
১৩.স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা

কীটনাশক ব্যবহার করে আমরা কৃষি ফসলের পোকামাকড় ও রোগ থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য পাই। তবে, বিভিন্ন কোম্পানি এই কীটনাশক তৈরি করে থাকে। এই কোম্পানির নাম জানা থাকলে, আপনি সহজে ভালো মানের কীটনাশক কিনতে পারবেন। আজকের এই অংশে, আমরা আপনাদের জন্য এমন কিছু বিখ্যাত কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা নিয়ে এসেছি, যা কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয়।
  • Prime Ago Limited
  • Eon Agro Industries Limited
  • Naafco (Private) Limited
  • Hazi Abdul Hakim Sawdagor
  • K S Agro Crop Care
  • Integrated Crop Care Bangladesh
  • BASF Bangladesh Limited
  • Hossain Enterprise C.C.Limited
  • Bangladesh Agricultural Industries
  • Alpha Agro Limited
  • Eminence Chemical Industries Ltd
  • Oroni International Limited
  • The Limit Agroproducts Limited
  • Sabir Fertilizer & Chemical Complex Ltd
  • Sadik Agrochemicals Co.
  • Shochho Bangladesh
  • FMC Chemical International AG
  • ACI Formulations Limited
  • Siam Crop Care
  • Sweet Agrovet Limited
  • Marshal Agrovet Chemical Industries Ltd
  • Syngenta Bangladesh Limited
  • Genetica
  • MAP Agro Industries Limited
  • Reximco Insecticides Limited
  • Sea Trade Fertilizer Limited
  • Reximco Chemical Industries
  • Intefa
  • Indofil Bangladesh Industries Pvt. Ltd.
  • Digital Crop Solution
  • Lark International
  • Sun Seed Pesticides
  • Bayer CropScience Limited
  • Surovi Agro Industries Ltd
  • Nokon Limited
  • Safi Agro
  • E H & Agrovet Limited
  • Northern Crop Care Limited
  • Valent Tech Limited
  • Green Care Bangladesh
  • Rajib Agro Chemicals Limited
  • GME Agro Limited
  • Dhaka Crop Care
  • Larsen Chemical Industries (Pvt) Ltd.
  • Auto Crop Care Limited
  • Shetu Pesticides Ltd
  • Agritech
  • Square Pharmaceuticals Limited
  • D.M Crop Care Ltd
  • Shetu Corporation Limited
  • SARK Bangladesh
  • Raven Agro Chemicals Limited
  • Roza Agro
  • Delco Agro Industries
  • Supreme Seed Company
  • Mosco Marketing Company
  • Mimpex Agrochemicals Limited
  • Mamun Agro Products Limited
  • Corbel Chemical Industries Ltd.
  • Padma Agro Sprayers Co.
  • General Agro Chemicals Limited
  • Gurpukur Corporation
  • Star Particle Board Mills Ltd
  • Orbit Agro Industry
  • Smart Agrovet
  • McDonald Bangladesh (Pvt) Limited
  • Integrated Crop Solution Bangladesh

কীটনাশকের ১০টি ক্ষতিকর প্রভাব?

কীটনাশক আমাদের শরীরে নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এর মধ্যে কিডনি রোগ, ফুসকুড়ি, ফোসকা, অন্ধত্ব, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, হার্ট অ্যাটাকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা উল্লেখযোগ্য। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই প্রভাব আরও তীব্র হতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে কীটনাশক ব্যবহারের সময় সচেতন থাকা জরুরি এবং সঠিক জ্ঞান নিয়ে পরিমিত মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত।

কীটনাশক ব্যবহারের ফলে কি কি ক্ষতি হয়?

কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মানব দেহে নানা রকম ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। প্রাথমিকভাবে ত্বকে ফুসকুড়ি বা চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি কিডনি রোগ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অন্ধত্বসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই কীটনাশক ব্যবহারের সময় অবশ্যই সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে এবং পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এতে করে শরীরের ক্ষতির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

মাজরা পোকার জন্য কোন কীটনাশক সবচেয়ে ভালো?

সাম্প্রতিক সময়ে মাজরা পোকার আক্রমণ নিয়ে কৃষকরা বেশ উদ্বিগ্ন, তাই তারা জানতে চান কোন কীটনাশক এটি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর। বর্তমানে ধানের মাজরা পোকার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউ শর্ট এবং এইম গোল। এছাড়াও ভিরতাকো, বাতির, এবং রেড কার্ড নামক পণ্যগুলোও খুব ভালো কাজ করে। তাই মাজরা পোকার দমন নিশ্চিত করতে আপনি এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন।

পণ্যর গুনগতমান ও সেবার দিক থেকে কোন কোম্পানি সবচেয়ে ভালো

অনেকেই জানতে চান পণ্যের গুণগত মান এবং সেবার দিক থেকে কোন কোম্পানি সবচেয়ে ভালো। চলুন, এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জেনে নেওয়া যাক। বর্তমানে বাংলাদেশে দেশি ও আন্তর্জাতিক কীটনাশক কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইনতেফা গুণগত মান ও সেবার দিক থেকে অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ, তারা মানসম্মত পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কীটনাশক ব্যবহার ক্ষতিকর কেন?

কীটনাশক সঠিকভাবে এবং পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার করলে তা ক্ষতিকর নয়। তবে প্রয়োজনের বেশি ব্যবহার করলে এটি পরিবেশ ও মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকগুলো পরিবেশের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাটিতে এবং মাটির ওপরে থাকা উপকারী প্রাণী, যেমন সাপ, ব্যাঙ, কেঁচো, এবং মাছ, ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি, এই কীটনাশক মানুষের শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন রোগ-বালাই সৃষ্টি করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

কীটনাশক প্রতিরোধের উপায়?

কীটনাশক প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিরাপদ মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করা। ব্যবহারকারীর অবশ্যই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। যেমন, কীটনাশক ব্যবহারের সময় হাতে গ্লাভস, চোখে সুরক্ষাচশমা, মাথায় কাপড়, এবং মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, কীটনাশকের বোতলে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োগ করতে হবে। কীটনাশক ব্যবহারের পর কমপক্ষে ৭ দিন ফসল সংগ্রহ থেকে বিরত থাকতে হবে।

কীটনাশক খেলে কি শ্বাসকষ্ট হয়?

কীটনাশক ব্যবহারের সময় বা কীটনাশকযুক্ত সবজি, ফল, কিংবা অন্য খাবার গ্রহণ করলে শরীরে অ্যালার্জি স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে পারে। বিশেষ করে, যারা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে অ্যালার্জির মাত্রা বেশি হয়। এর ফলে কীটনাশক শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বাড়ার আশঙ্কা থাকে। অর্থাৎ, কীটনাশক খাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের কীটনাশক ব্যবহারের সময় সতর্ক থেকে সঠিক নিয়ম মেনে চলা উচিত। পাশাপাশি কীটনাশকযুক্ত ফসল ভালোভাবে ধুয়ে এবং সিদ্ধ করে খাওয়া উচিত।

কীটনাশক কি মানুষের জন্য ক্ষতিকর

অনেকেই জানতে চান, কীটনাশক কি মানুষের জন্য ক্ষতিকর? হ্যাঁ, কীটনাশক অবশ্যই মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বর্তমানে আমাদের দেশে যে পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, তা ফসলের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, যেমন হার্ট, কিডনি, লিভার, ও ত্বক নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তদুপরি, কীটনাশকের কিছু অংশ মানব শরীরে থেকে যায়, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সৃষ্টি করে।

কার্বফুরান বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কেন

বাংলাদেশের অনেক কৃষক জানতে চান, কার্বোফুরান কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটি দেশের দানাদার কীটনাশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি পণ্য ছিল। তবে কার্বোফুরান মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দ্রুত বিকলাঙ্গ করতে পারে। এই কারণে বাংলাদেশ সরকার এর বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছেন। বর্তমানে দেশের বাজারে এই কীটনাশকটি আর পাওয়া যাচ্ছে না।

সবচেয়ে শক্তিশালী কীটনাশক কোনটি

বর্তমানে আমাদের দেশে সবচেয়ে শক্তিশালী কীটনাশক কোনটি, তা জানার আগ্রহ অনেকেরই। শক্তিশালী কীটনাশক বলতে এমন কীটনাশককে বোঝানো হয়, যা একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের পোকা দমন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, ৫৫ ইসি, ল্যামডাসাইহ্যালোথ্রিন এবং ক্লোরোন্টোনিলিপ্রোল। এসব কীটনাশক একাধিক পোকা একসঙ্গে মারতে সক্ষম বলে এদের শক্তিশালী কীটনাশক বলা হয়। এছাড়া, আরও কিছু কীটনাশক রয়েছে যা দ্রুত পোকা দমনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সবচেয়ে বেশি কীটনাশক ব্যবহার হয় কোন দেশে

সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কীটনাশক কোন দেশে ব্যবহৃত হয়, এই প্রশ্নটি অনেকেই আগ্রহের সঙ্গে জানতে চান। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সবচেয়ে বেশি কীটনাশক ব্যবহার হয়েছে ব্রাজিলে, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৭২০ কোটি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আমেরিকা, যেখানে ব্যবহার হয়েছে ৪৫৭ কোটি। এছাড়া, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে চীন, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকা এমন কিছু দেশ, যেখানে সবচেয়ে বেশি কীটনাশক ব্যবহার হয়।

আশা করি, "১৩+ কীটনাশক কোম্পানির নামের তালিকা" পোস্টটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনি আরও কিছু জানাতে চান বা অন্য যেকোনো বিষয়ে জানতে চান, আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য পোস্টগুলোও পড়ুন। আরো নতুন ও দরকারী তথ্য পেতে StudyTika.com নিয়মিত ভিজিট করুন।

Frequently Asked Questions (FAQ)

Getting Info...

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.