Sonexa C drop : আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাই-বোনেরা। আশা করছি সবাই ভালো আছেন। তবে, যদি আপনি বা আপনার প্রিয়জনের কেউ অসুস্থ হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই ঔষধের বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চেষ্টা করছেন। আজ আমরা কথা বলব একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের নাম—Sonexa C drop ।
এটি সম্পর্কে আপনাদের কিছু মূল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব, যেমনঃ 🔹 Sonexa C drop কি কাজ করে? 🔹 এটি কিসের ঔষধ? 🔹 Sonexa C drop এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী? 🔹 Sonexa C drop খাওয়ার বা ব্যাবহারের সঠিক নিয়ম কী? 🔹 Sonexa C drop এর দাম কত ইত্যাদি?
আমরা আশা করি, এই বিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।
Sonexa C drop এর কাজ কি?
সহজ ভাষায়: Sonexa C আই ড্রপ হলো চোখ ও কানের ইনফেকশন ও প্রদাহ কমানোর একটি ওষুধ।
চোখে: এই ড্রপ চোখের এলার্জি বা প্রদাহে ব্যবহার হয়, বিশেষ করে যেখানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এছাড়া চোখে রাসায়নিক লাগলে, আগুনে পুড়ে গেলে বা ধুলাবালি ঢুকে কর্ণিয়ার ক্ষতি হলে, এমনকি চোখের অপারেশনের পর প্রদাহ কমাতে এই ড্রপ ব্যবহার করা হয়।
কানে: এটি কানের সংক্রমণ যেমন ওটাইটিস এক্সটারনা, ওটাইটিস মিডিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি পুঁজযুক্ত কানের রোগে ব্যবহার করা হয়।
Sonexa C drop এর দাম কত?
Sonexa C eye drop প্রতি পিসের দামঃ ৭০.০০ টাকা।
এই দাম একটু কম বেশি হতে পারে। আপনি বাজারে গিয়ে একদম সঠিক দামটি জানতে পারবেন। আশা করি এই দামটিই সঠিক।
Sonexa C drop খাওয়ার বা ব্যাবহারের নিয়ম কি?
Sonexa C eye drop চোখে প্ৰয়োগ কর্ণিয়ার ক্ষত: প্রথমদিন প্রথম ৬ ঘন্টার জন্য আক্রান্ত চোখে ১৫ মিনিট পরপর ২ ফোঁটা করে প্রয়োগ করতে হবে এবং দিনের অবশিষ্ট সময়ে আক্রান্ত চোখে ৩০ মিনিট পর পর ২ ফোঁটা করে প্রয়োগ করতে হবে।
দ্বিতীয় দিন প্রতি ঘন্টা পর পর ২ ফোঁটা করে আক্রান্ত চোখে প্রয়োগ করতে হবে। তৃতীয় দিন থেকে চৌদ্দ দিন পর্যন্ত প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর ২ ফোঁটা করে আক্রান্ত চোখে প্রয়োগ করতে হবে। যদি কর্ণিয়ার পুনঃ এপিথেলিয়াম দেখা না দেয় তাহলে ১৪ দিনের পরেও চিকিৎসা চলতে থাকবে।
ব্যাকটেরিয়া জনিত কনজাংটিভার প্রদাহ: স্বাভাবিক মাত্রা হলো প্রথম ২ দিন জাগ্রত অবস্থায় থাকাকালীন সময়ে ১-২ ফোঁটা করে প্রতি ২ ঘন্টা পর পর কনজাংটিভার থলিতে প্রয়োগ করতে হবে এবং পরবর্তী ৫ দিন জাগ্রত অবস্থায় থাকাকালীন সময়ে ১-২ ফোঁটা করে প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর প্রয়োগ করতে হবে । কানে প্রয়োগ প্রথমাবস্থায় সকল ব্যাকটেরিয়া জনিত কানের ক্ষত চিকিৎসায় ২-৩ ড্রপস্ ওষুধ দিনে ২-৩ ঘন্টা পর পর আক্রান্ত কানে প্রয়োগ করতে হবে, সংক্রমণের উন্নতির সাথে সাথে মাত্রা কমাতে হবে।চিকিৎসা শুরুর প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা বিরতি থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
বিভিন্ন কারনে ওষুধের মাত্রার তারতম্য হতে পারে। ডাক্তার যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন ঠিক সেভাবে ওষুধ গ্রহন করুন। আপনার প্রেসক্রিপশনের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।
Sonexa C drop এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি?
স্থানীয় জ্বালাপোড়া বা অস্বস্থি, চুলকানি, দানাদার বস্তুর উপস্থিতির অনুভূতি, চোখের পাতার পাশে ফেঁটে যাওয়া, কনজাংটিভায় রক্ত সঞ্চায়ণ, প্রয়োগের পর বিস্বাদ লাগা। উপরন্তু কর্ণিয়ার দাগ পড়া, এলার্জিক ক্রিয়া, পাওয়া যেতে পারে। কানে অটোটক্সিসিটি বা বিষ ক্রিয়া হতে পারে।
আশা করি, 'Sonexa C drop এর কাজ কি?', 'Sonexa C drop খাওয়ার বা ব্যবহারের নিয়ম', 'Sonexa C drop এর দাম কত', এবং 'Sonexa C drop এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি'—এই বিষয়গুলো আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে এবং ভালো লেগেছে। যদি আপনি Sonexa C drop সম্পর্কিত আরও কিছু জানার আগ্রহী হন, তাহলে আমাদের ফেইসবুক পেইজে সরাসরি মেসেজ পাঠাতে পারেন। আমাদের ফেইসবুক পেইজের লিংক নিচে দেওয়া হল।
আর যদি আপনাদের এই পোস্টটি ভালো লেগে থাকে, তাহলে আমাদের অন্যান্য পোস্টগুলোও পড়তে ভুলবেন না। ধন্যবাদ 😊
নোট: এই সকল তথ্য ইন্টারনেট এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগৃহীত। যদি কোন তথ্য ভুল বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে এই ওয়েবসাইটের কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। তবে, যদি আপনি কোন ভুল তথ্য খুঁজে পান, অনুগ্রহ করে একটি স্ক্রিনশট নিয়ে আমাদের মেসেজ করুন।