এই ব্লগপোস্টে রয়েছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবসম্প্রসারণ — "কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ, উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?"। এটি পড়লে আপনি অনুপ্রেরণা পাবেন এবং পরীক্ষার জন্যও এটি খুব উপকারী। ভাবসম্প্রসারণটি খুব সহজ করে লেখা হয়েছে, যেন আপনি সহজে বুঝতে পারেন। এখনই নিচে পড়ে নিন!
কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ,উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?
মূলভাব : উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য উদ্যম অপরিহার্য।
সম্প্রসারিত ভাব : দীর্ঘ পথ দেখে ভীত পথিক যদি থমকে দাঁড়ায়, তাহলে পথের প্রান্তে পৌঁছা তার পক্ষে মোটেই সম্ভবপর হবে না। যথার্থ উদ্যোগ না নিলে জীবনের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে কর্তব্য সম্পাদন করে জীবনকে সফল করে তুলতে হবে।জীবন চলার পথে মানুষকে বিস্তর বাধার মুখোমুখি হতে হয়। সাহস, কৌশল ও বুদ্ধির প্রয়োগে সেসব বাধা বিপত্তি জয় করতে পারলে জীবনে সাফল্য আসে, মানুষ গৌরবান্বিত হয়ে উঠে। তাই উদ্যম বা উৎসাহ উদ্দীপনা জীবনে সাফল্যের জন্য অপরিহার্য। যার মধ্যে যত উদ্যম বিদ্যমান, সে তত সার্থকতা অর্জন করতে পারে। জাতীয় জীবনেও উদ্যম বা উৎসাহ উদ্দীপনা জীবনের সাফল্যের জন্য অপরিহার্য। জাতীয় জীবনে উদ্যম থাকলে সে জাতি বড় হয়ে উঠে। কাজের পরিমাণ যদি খুব বেশি হয়, তখন অনেক সময় উদ্যম কমে যায় এবং মানুষ ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়। এটি স্বভাবগত কাপরুষ্যের লক্ষণ। কিন্তু যে কাজই বড় বা কঠিন হোক না কেন, সাহস ও চেষ্টা থাকলে তা সমাধান করা সম্ভব। যদি পরিণাম ভেবে আগে থেকেই ভয় পেতে শুরু করা হয়, তবে সাফল্য কখনো অর্জিত হয় না। পথ দীর্ঘ হলেও ধৈর্য, সাধনা ও অধ্যবসায় থাকলে তা অতিক্রম করা সম্ভব। তাই জীবনের কোনো লক্ষ্য বা ইচ্ছা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যম নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষের চেষ্টার অসাধ্য কিছু নেই। এই বিশ্বাসেই মানুষকে তার জীবনের লক্ষ্যে তৎপর হতে হবে।
আশা করি এই ছোট ভাবসম্প্রসারণটি আপনার ভালো লেগেছে এবং কাজে আসবে। আরও এমন সহজ ও সুন্দর ভাবসম্প্রসারণ পড়তে চাইলে ঘুরে আসুন আমাদের ওয়েবসাইটে — StudyTika.com। এখানে রয়েছে Class 6 থেকে HSC পর্যন্ত অনেক ভাবসম্প্রসারণ, একদম সহজ ভাষায়।